মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি,
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (৩০ জুলাই, ১ ও ১১ আগস্ট), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট, ২৫ জুলাই), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি, ১৭ মে) এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের বয়কট, হয়রানি, বুলিং, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন এবং হল বা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কারের ঘটনা সামনে এসেছে।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি তথা বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রচারণায়(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত নির্বাচনী ভাষণ) শিক্ষাকে আনন্দদায়ক, দক্ষতাভিত্তিক এবং ভবিষ্যৎ জনশক্তি তৈরির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ তার শিক্ষার্থীদের মধ্যেই নিহিত,তাই শিক্ষাকে উন্নত করা শুধু শ্রেণিকক্ষ, পাঠ্যক্রম বা দক্ষতা উন্নয়নের প্রশ্ন নয় এর প্রথম শর্ত হলো, একজন শিক্ষার্থী যেন নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে এবং কোনো ভয় বা হয়রানির আশঙ্কা ছাড়া তার শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের সেই মৌলিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে: রাষ্ট্র কি তার শিক্ষার্থীদের জন্য সেই নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারছে?
পরবর্তীতে, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া নির্বাচনী ভাষণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনী ভাষণ, একটি “safe Bangladesh” গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। একই বক্তব্যে আরো সুস্পষ্টভাবে বলা হয় যে, “Ensuring peace and security for all citizens is the responsibility of the state.” অর্থাৎ, নাগরিকের নিরাপত্তাকে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে স্বীকার করা হয়েছে। এই প্রতিশ্রুতিগুলোকে সামনে রেখে আমাদের প্রশ্নটি তাই খুব সরল:“সকল নাগরিকের নিরাপত্তা”র মধ্যে কি শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত? “আর “আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ” যাদের বলা হচ্ছে, তাদের নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে সেই ভবিষ্যৎ কীভাবে নির্মিত হবে?
কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের সেই মৌলিক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। LGBTQIA+ পরিচয় বা ‘সমকামিতা’র অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত ব্যবস্থা গ্রহন করা, দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব নিয়ে যে গুরুতর প্রশ্ন তোলে তা হল, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আসলে কাদের জন্য? যে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতির ভবিষ্যৎ তৈরি করে, সেই শিক্ষা ব্যবস্থাই যদি তার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার অধিকার রক্ষা করতে না পারে, তাহলে আমরা কেমন ভবিষ্যৎ তৈরি করছি? এই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শান্তি ও স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করার দায়িত্ব কি রাষ্ট্রের নয়?
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থী প্রধান পরিচয় সে একজন শিক্ষার্থী। যৌন অভিমুখিতা বা লিঙ্গ পরিচয় একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, কোনো মানহানির নয় এবং রাজনৈতিক বিরোধের অস্ত্রও নয়। কোনো শিক্ষার্থীকে এ কারণে হেয় করা এবং সেই হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ না নিয়ে নীরব থাকা মানে সহিংসতা এবং অধিকার খর্ব করাকে প্রশ্রয় দেয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিজদের ব্যর্থ প্রমান করা। এই ব্যর্থতার দায় একইসাথে রাষ্ট্রেরও। যথাযথ সময়োচিত পদ্ক্ষেপের অভাব একটি বৃহত্তর সামাজিক বৈষম্য ও অনিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করে, যা আমরা প্রত্যাখ্যান করি।।
আমরা নাগরিক হিসেবে মনে করি,এসব পুনরাবৃত্তিমূলক ঘটনাগুলোকে কেবল কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নেওয়া বিচ্ছিন্ন শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই, এর মধ্য দিয়ে একজন নাগরিকের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মর্যাদা এবং শিক্ষার অধিকার হুমকির মুখে পড়ে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি তথাকথিত “সাধারণ শিক্ষার্থী” বা মবের চাপের মুখে শিক্ষার্থীকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত উক্ত শিক্ষার্থীকে হল বা প্রতিষ্ঠান থেকে অপসারণ /বহিষ্কার করে , তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সুরক্ষার মৌলিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করি এবং তার জবাবদিহিতা দাবি করি।
আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই যে, একজন শিক্ষার্থীদের যখন হামলা, হয়রানি, অপমান, গোপনীয়তা লঙ্ঘন বা জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার হন, তখন তার শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবযাপনে যে ক্ষতি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, রাষ্ট্র বা প্রশাসনের সেই দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যেসব শিক্ষার্থী এই জুলুম ও হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পুনরায় শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং শিক্ষাজীবনে সৃষ্ট ক্ষতির প্রতিকারসহ মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে, যারা হয়রানি, ভয়ভীতি, লুটপাট, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন বা এ ধরনের বর্বরোচিত আক্রমণের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কারো পরিচয়ই তার ওপর হামলা, অপমান বা সহিংসতার বৈধতা হতে পারে না।
“স্বতঃস্ফূর্ত” মবের লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানি ও হামলাকে যেই প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক হতে দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয় না, সেই প্রতিষ্ঠান কোন নিরাপদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; বরং এটাই প্রতিয়মান হয় যে উক্ত প্রতিষ্ঠান সহিংসতার সংস্কৃতিই লালন করে।
আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সমকামী, LGBTQIA+ ও হিজড়া পরিচয়কে ক্রমাগত সামাজিকভাবে হেয় করা হচ্ছে এবং একজন শিক্ষার্থীর যৌন ও লিঙ্গ প সেই পরিচয়কে প্রয়োজনমতো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়, ফলে দিনশেষে সেই পরিচয়ের মানুষদেরই বলির পাঁঠা হিসেবে দাঁড় করানো হয়।
বিশেষ করে, কোনো শিক্ষার্থী মব-সহিংসতার শিকার হলে তাকে সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে শৃংখলা এবং নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে অনেক ক্ষেত্রে হল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে এবং তার শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ এসব শিক্ষার্থীর জিনিসপত্র লুট করা, ব্যক্তিগত পরিসরে অনধিকার প্রবেশ কিংবা তাদের সম্মতি ছাড়া গোপনে ভিডিও ধারণ ও প্রচারের ঘটনাগুলোকে একইভাবে ‘অনৈতিক’ বা শাস্তিযোগ্য আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না। নৈতিকতার প্রশ্ন যদি তোলা হয়, তাহলে তা সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। এই ধরণের দ্বৈত নীতি অনুসরণ করে একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত জীবন, সম্পত্তি, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠান নীরব থাকলে, সেই নীরবতা কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; এটি বৈষম্য ও সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার আরেকটি রূপ।
হয়রানি অনলাইনে হোক, আবাসিক হলে হোক বা ক্যাম্পাসে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। অনলাইন হয়রানিকে ক্যাম্পাসের বাইরের বিষয় বলে পাশ কাটানো যাবে না; হলে ঘটে যাওয়া হয়রানিকে ব্যক্তিগত বিরোধ বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না; আর মবের চাপের কারণে শিক্ষার্থীকে সরিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠান তার দায়িত্ব শেষ করতে পারে না।
একজন শিক্ষার্থীকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। একজন নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার মূল্য কোনো শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষাজীবন, নিরাপত্তা বা মর্যাদা দিয়ে দিতে হতে পারে না।
একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার শুধু শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক অধিকার নয়। নিরাপদে হলে থাকা, নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এবং ভয় বা হয়রানি ছাড়া শিক্ষা সম্পন্ন করার বাস্তব সুযোগও এর অংশ।
একইভাবে, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত গোপনে ভিডিও ধারণ, অনুমতি ছাড়া সেই ভিডিও সংরক্ষণ বা প্রচার এবং পরে সেই ভিডিওকে অভিযোগ বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করাও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। এখানে শুধু ভিডিওতে কী আছে, তা নয়; কার অনুমতি ছাড়া ভিডিও করা হয়েছে, কে করেছে এবং সেই গোপনীয়তা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটিও তদন্তের বিষয়। নাগরিকের গোপনীয়তা লঙ্ঘন একটি দণ্ডনীয় অপরাধ, তাই এই ঘটনাগুলোতে প্রতিক্রিয়া জানানো কেবল প্রতিষ্ঠান নয়, রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব।
আমরা এসব ধারাবাহিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারের কাছে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাই।আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপদে শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাদের হল, ক্যাম্পাস ও শিক্ষাজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষা, নিরাপত্তা বা মর্যাদা বিসর্জন দিয়ে ন্যায়বিচার পেতে হবে—এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দাবি সমূহ:
১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দেওয়া সকল বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের হল এবং ক্লাসে ফেরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
২। শিক্ষার্থী বা ব্যক্তির প্রাইভেসি লঙ্ঘন, মোবাইল তল্লাশি, ব্ল্যাকমেইলিং, ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ বা প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, মব ও উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩। যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ব্যতিরেকে কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া নিষিদ্ধ করতে হবে।
৪। শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সংঘবদ্ধ হয়রানি, ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নীরব না থেকে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৫। উচ্চশিক্ষা প্রাঙ্গণে সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষা এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের ভয়, হয়রানি বা নিপীড়নের আশঙ্কা ছাড়াই নির্বিঘ্নে শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে।
৬। শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি নিরসনে প্রয়োজনীয় সহায়তা, প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।
৭। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ হয়রানি, ভয়ভীতি, শারীরিক আক্রমণ ও সহিংসতার কোনো স্থান নেই; শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের নিষ্পত্তি হতে হবে নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত এসব ঘটনা এবং তাদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার অধিকারের ওপর এর প্রভাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন সামাজিক, পেশাগত ও নাগরিক পরিসরে সক্রিয় ১৩৫ জন নাগরিক। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মী, শিল্পী, শিক্ষার্থী, অধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী।
স্বাক্ষরকারী,
ব্যঞ্জনা ফাউন্ডেশন এবং বন্ধুরা।
১। তৃষিয়া নাশতারান, নারীবাদী সংগঠক
২। আনু মুহাম্মদ, অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক , জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৩। Tashnuva Anan, trans rights activist & actor, writer and Development practitioner.
৪। রথীন্দ্র নাথ বাপ্পি, সাংবাদিক ও সাবেক ছাত্রনেতা
৫। ফয়সাল জামান – ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট, শিল্প-গবেষক, ও শিক্ষক
৬। Tasaffy Hossain, Feminist activist
৭। Ratul Al Ahmed, Researcher
৮। কাজী তাহ্সিন আগাজ অপূর্ব, শিল্পী, কিউরেটর, গ্যালারিস্ট।
৯। ফাত্তাহ সিয়াম, শিক্ষার্থী, ইউল্যাব।
১০। Sharmin Akter
১১। Kabita Chakma, Architect and Writer
১২। কাজী মোয়াজ্জমা তাসনিম, মানবাধিকারকর্মী
১৩। মিম আরাফাত মানব, গবেষক, মাদ্রিদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, স্পেন
১৪। ডা: রাকিবা আমাতুল কারীম (ডাক্তার, প্রভাষক)
১৫। Ifaar Hasan, Human Rights Defender
১৬। সজীব তানভীর, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা, সেন্ট্রাল কাউন্সিল সদস্য, নেটওয়ার্ক ফর পিপলস একশন (এনপিএ)
১৭। Dr. Afroza Akter Juhi. Dental surgeon. Consultant (Upasham hospital)
১৮। Ace (Freelance Artist)
১৯। মুনতাকিম, সাংবাদিক
২০। Mahbub Sunny, freelance Photographer.
২১। পদ্মিনী চাকমা,আলোকচিত্রী
২২। কাব্য কৃত্তিকা, প্রভাষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
২৩। Dr Sabrina Ahmed
২৪। Kashfia Nahreen, writer, the Daily Star
২৫। ডা. তন্ময় সান্যাল, ডেন্টাল সার্জন
২৬। অলিউর সান, লেখক, শিক্ষক ও সংগঠক
২৭। তীব্র আলী/ অধ্যাপক/ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
২৮। সামিনা লুৎফা, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৯। ডা. নাজমুস সাকিব, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৩০। মিথিলা মাহফুজ, শিক্ষক
৩১। তাহমিনা খানম, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩২। লাবনী আশরাফি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
৩৩। Tasneem Siraj Mahboob
৩৪। মারিয়া ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫। মাইদুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, সমাজতত্ত্ব বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৩৬। আসিফ মোহাম্মদ শাহান, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৭। প্রিয়াংকা কুন্ডু, ডক্টরাল ক্যান্ডিডেট, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় শিকাগো
৩৮। Syed Ishtiaque Ahmed, Director, Space Vision ltd
৩৯। Uchacha A Chak, Lokayoto
৪০। ফাহমিদুল হক, শিক্ষক ও লেখক
৪১। Anika T Karim, Feminist Climate Activist
৪২। সুরাইয়া ইয়াসমীন, ডাক্তার ও সংগঠক, রেড ফেমিনিস্ট ব্লক
৪৩। অনুপম সৈকত শান্ত। লেখক ও এক্টিভিস্ট
৪৪। কামাল চৌধুরী, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৫। মার্জিয়া রহমান, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬। মাহতাব উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৭। স্নিগ্ধা সুলতানা, আলোকচিত্রী
৪৮। আমিনা সুলতানা
৪৯। জয়া সিকদার, ট্রান্সজেন্ডার নারী ও মানবাধিকার কর্মী
৫০। Hana Shams Ahmed, Anthropologist, York University, Canada
৫১। মায়িশা মনি, শিক্ষার্থী(স্নাতকোত্তর), নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৫২। লায়েকা বশীর, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মী
৫৩। রুশাদ ফরিদী, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪। শর্মি বড়ুয়া, প্রভাষক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৫। প্রাপ্তি তাপসী, শিক্ষক, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬। মোশাহিদা সুলতানা
৫৭। মাহবুবুল হক ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৮। Soyeb Hasan, Human Rights defender
৫৯। রাহাত হোসেন, মানবাধিকার কর্মী
৬০। আবু রায়হান, গবেষক ও এক্টিভিস্ট
৬১। Dr. Nabiha Faruque Saima,Intern Doctor, Dinajpur Medical College Hospital
৬২। গোলাম মোস্তফা, দপ্তর সম্পাদক, গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
৬৩। Sumsul Islam Polok Eva, social inclusion practitioner, Hijra, transgender rights activist.
৬৪। নাজমুস সাদাত (Research & Development Officer at Healthcare Formulations Ltd)
৬৫। Rayta Binte Rahman, Undergraduate Student, North South University
৬৬। A Concerned Citizen & Student
৬৭। গোলাম রাসুল নাবিদ, নাট্যকার, লেখক, অভিনেতা, এনপিএ সদস্য, ও শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৬৮। অমর্ত্য রায়, সাবেক ছাত্র আন্দোলন কর্মী
৬৯। সাফায়েত মুত্তাকী দুর্জয়, লেখক
৭০। সোহান কবির, ছাত্র
৭১। Anika Bushra
৭২। Nuzhat Fairuz Nobonie, Postgrad Student at Loughborough University
৭৩। অরূপ রাহী, শিল্পী
৭৪। Antara, Student, North South University
৭৫। মনিষা মীম নিপুণ, প্রতিষ্ঠিতা – পথচলা ফাউন্ডেশন ও ট্রান্স ওমেন
৭৬। শিশির বিন্দু বিশ্বাস, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী
৭৭। Arafat Kazi, musician
৭৮। Dr. Zareen Subah, MBBS
৭৯। অয়ালিদ হাসান, গবেষণা সহকারী, ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবা, কানাডা।
৮০। Tamzid Mushtaque, Private job holder
৮১। Ashkin Ayub, Creative Strategist, McCann Bangladesh
৮২। ফেরদৌস আরা রুমী, মুখপাত্র, এনপিএ
৮৩। নিসর্গ নিলয়, গবেষক
৮৪। শামীম আরা নীপা, এক্টিভিস্ট
৮৫। এম শাহরিয়ার মাহমুদ রাফি, গবেষক, ইনোভেশন ল্যাব
৮৬। Ratan Marma, Student, University of Development Alternative
৮৭। মোশফেক আরা শিমুল, নির্বাহী পরিচালক, স্পেস- এ ফাউন্ডেশন ফর পিস অ্যান্ড কেয়ার
৮৮। Durlov Nibras Ahmed, Freelance development & marketing communications consultant
৮৯। মোঃ হাবিবুর রহমান, লেকচারার
৯০। বীথি ঘোষ, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মী
৯১। Hasibur Rahman, Researcher and Right Activist
৯২। মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩। কাজলী সেহরীন ইসলাম, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৯৪। Andromeda, Student, Dhaka University
৯৫। Protiti, Architect
৯৬। Nasrin Siraj, teacher
৯৭। মীরা সুস্মিতা, শিক্ষার্থী, পদ্মা সরকারি কলেজ।
৯৮। রুহী নাজ, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৯৯। MD. Rafiqul islam, General Secretary, Sompurna
১০০। Redowan Ahmed, Student, East West University
১০১। Ayesha, Program Coordinator, Institute for Teacher Competency and Excellence; Social Researcher
১০২। Reemon, photographer
১০৩। মারুফ হাসান ভূঞা, সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
১০৪। Jessamine Dina Roy, Head Master, Ywca girls school
১০৫। ইসাবা শুহ্রাত, গবেষক, দৃক
১০৬। নির্ণয় ইসলাম, শিক্ষক ও সংগঠক
১০৭ । ওর্চি লোহানী
১০৮। আশিকুর রহমান অনিক, স্বাধীন চিত্রনাট্যকার ও চলচিত্র নির্মাতা
১০৯। দীপ্তি দত্ত, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১১০। Ranjana – Student- BRAC University
১১১। শীপা হাফিজা, জেন্ডার জাস্টিস, ইনক্লুশন ও মানবাধিকার রক্ষাকর্মী
১১২। খুশী কবির – মানবাধিকার কর্মী
১১৩। হাসনে আরা, উন্নয়ন কর্মী, গবেষক ও নাট্যকর্মী
১১৪। অরুণিমা তাহসিন, গবেষক ও অ্যাক্টিভিস্ট
১১৫। নাজিফা তাসনিম খানম তিশা, প্রকাশনা ও থিয়েটারকর্মী
১১৬। পেপে, শিক্ষার্থী
১১৭। Triaana Nayantara Hafiz, Development worker, Activist,model, Executive Director Byanjona Foundation
১১৮। খালিদ হাসান খান, চাকুরিজীবী
১১৯। জোহান আরাজ খান, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১২০। নজীর আমিন চৌধুরী জয়, সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
১২১। শিরিন পারভিন হক, মানবাধিকার কর্মী ও সদস্য, নারীপক্ষ
১২২। Nazneen Shifa, Faculty, Independent University, Bangladesh
১২৩। মানস চৌধুরী, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১২৪। Samiya Arefin
১২৫। Fahim Bin Hamid, Urban Researcher
১২৬। মো: মুনতাসীর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা, ব্যঞ্জনা ফাউন্ডেশন। এলজিবিটিকিউ এক্টিভিস্ট, পেশা :সিভিল ইঞ্জিনিয়ার।
১২৭। সায়দিয়া গুলরুখ, সাংবাদিক ও গবেষক
১২৮। Sushmita S Preetha/Writer, researcher and organiser
১২৯। Apon Das, Author & Researcher
১৩০। সামিহা হায়দার কঙ্কা, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩১। Monowar Husain, CSE, SDS, BracU
১৩২। Quashimah Siddiqui Raiyan, Student, BRAC University
১৩৩। Antara Farnaz Khan, Student
১৩৪। নাদিরা নওশের, গবেষক
১৩৫। Sadia Anjum Prity, Photographer
